Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি শ্রী ভৈরোঁ সিং শেখাওয়াতের ১০০-তম জন্ম জয়ন্তীতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী


নয়াদিল্লি, ২৩  অক্টোবর, ২০২৩

 

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি শ্রী ভৈরোঁ সিং শেখাওয়াতের ১০০-তম জন্ম জয়ন্তীতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী এই উপলক্ষে বলেছেন যে, ভৈরোঁ সিংজী ভারতের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি তাঁর কার্যকালে সংসদীয় বিতর্ক এবং আলোচনার মানোন্নয়নে দায়বদ্ধতার জন্য স্বরণীয় হয়ে থাকবেন। প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে তাঁর আলোচনাপর্বের বেশ কয়েকটি ছবি প্রধানমন্ত্রী সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। 
 এক্স হ্যান্ডেলে একগুচ্ছ পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন:

“আজ এক বিশেষ দিন। সম্মানীয় রাষ্ট্রনায়ক ভৈরোঁ সিং শেখাওয়াতজীর আজ ১০০-তম জন্মবার্ষিকী। তাঁর দৃষ্টান্তমূলক নেতৃত্ব এবং দেশের অগ্রগতিতে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য দেশ সবসময় তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবে। রাজনৈতিক দল নির্বিশেষে এবং সমস্ত স্তরের মানুষের কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন।

তাঁর সঙ্গে আমার আলোচনাপর্বের কিছু মুহূর্ত সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলাম।”

“ভৈরোঁ সিংজী ছিলেন একজন স্বপ্নদর্শী নেতা এবং দক্ষ প্রশাসক। অসাধারণ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রাজস্থানকে অগ্রগতির নতুন শিখরে পৌঁছে তিনি বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। রাজস্থানের দরিদ্র, কৃষক, যুব সম্প্রদায় এবং মহিলাদের জীবনধারণের মানোন্নয়নকে তিনি সবসময় বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। গ্রামোন্নয়নের প্রসারে তিনি বহুবিধ উদ্যোগ নেন।

দেশের উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোর প্রসারে ভৈরোঁ সিংজী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর কার্যকালে সংদসীয় বিতর্ক এবং আলোচনার অধিক মানোন্নয়নের প্রতি দায়বদ্ধতার জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর বুদ্ধি এবং হাস্যরসের কথা সবসময় আনন্দের সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

ভৈরোঁ সিংজীর সঙ্গে আমার আলোচনার  নানা স্মৃতি আজও অমলিন। দলের সংগঠনের জন্য যখন আমি কাজ করতাম এবং ১৯৯০-এর শুরুতে একতা যাত্রার সময় তাঁর সঙ্গে আলোচনার স্মৃতি আমি আজও স্মরণ করি। তাঁর সঙ্গে যখনই দেখা হত জল সংরক্ষণ, দারিদ্র দূরীকরণ এবং অন্য নানা বিষয়ে অনেক কিছু শিখতাম।

২০০১-এ আমি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হলাম এবং তার এক বছর পর ভৈরোঁ সিংজী দেশের উপরাষ্ট্রপতি হলেন। এই সময়কালে তাঁর নিরন্তর সমর্থন পাওয়ায় আমি নিজেকে কৃতজ্ঞ মনে করি। ২০০৫ উজ্জীবিত গুজরাট শিখর সম্মেলনে তিনি মঞ্চ অলঙ্কৃত করেন এবং গুজরাটের উন্নতকল্পে আমরা যে সব কাজ করছিলাম তার প্রশংসা করেন। 

আমার লেখা একটি বই, ‘আঁখ আ ধন্য ছে ’ বইটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশও করেন তিনি। এখানে সেই অনুষ্ঠানের ছবি দেওয়া হল।

প্রত্যেক ভারতবাসী যাতে মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারেন এবং ভারতের অগ্রগতিকে আরও সুসমৃদ্ধ করতে দেশবাসী যাতে নানা সুযোগ পান, সেই জন্যই রাষ্ট্রের প্রতি ভৈরোঁ সিংজীর  স্বপ্ন  রূপায়ণে আমাদের দায়বদ্ধতা আমরা পুনরায় ব্যক্ত করছি।” 

PG/AB/NS